Friday, October 23, 2015

ফোনে কল দিয়ে কেউ বেশি উত্যক্ত করছে? তার নাম-ঠিকানা বের করে ফেলুন খুব সহজেই!

মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না।
বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত। বকাঝকা, ফোন সাইলেন্ট করে রাখা কোন
কিছুতেই যেন কাজ হয় না। কিন্তু ভাবুন তো, অচেনা এই লোকটির নাম ঠিকানা যদি এক মিনিটেই আপনার
হাতের মুঠোয় চলে আসে, আর আপনি উলটো তার নাম ধরে ডেকে বেশ ভালো রকম একটা হুমকী দিতে পারেন,
 কিংবা সহজেই পুলিশের কাছে তার নাম ঠিকানা দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে কি ভালোটাই না হতো! না স্বপ্ন নয়
একেবারেই, প্রযুক্তির উৎকর্ষে এই ছোট্ট কাজটি আপনি করতে পারেন স্রেফ ঘরে বসেই। আপনার স্মার্টফোনে
গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েক সেকেন্ডেই নামিয়ে নিতে পারেন, এইসব অচেনা নাম্বার থেকে ফোনদাতার নাম ঠিকানা, সবই!

True caller:
এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন। আর সেই লোক যদি ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই! দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।
Facebook:
বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও। ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

LINE whoscall:
অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান্য তথ্য ও তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে।

Mobile Number Locator:
অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।

আমি নিজে ট্রু কলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকল

Wednesday, October 7, 2015

যে ১০ টি সেটিং জানলে আপনার ওয়াইফাই রাউটার দিবে সবথেকে ভালো স্পীড এবং সুরক্ষা!

আপনি কি ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন? আমি কিন্তু করি। আচ্ছা ওয়াইফাই নেট ব্যবহারের সুবিধা গুলো কি? অসাধারন গতি সাথে কম মূল্য। আর আসুবিধা? সময় সময় নেট লাইন পুরাই বিদ্যুৎ লাইনের মতো ব্যবহার করে। একবার গেলে আর কোন খবর থাকে না।

তারপরেও আমি বলবো ব্রডব্যান্ড বেস্ট। অন্তত আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার যদি ভদ্রলোক হয় তবে অনেক শান্তিতে নেট চালাতে পারবেন। এখন সরাসরি কাজের কথায় আসবো। আপনি কি জানেন, যেভাবে আপনি আপনার ওয়াইফাই রাউটার ব্যবহার করছেন তার থেকে আরও বেশী সুবিধা ভোগ করে সেটি ব্যবহার করা সম্ভব। কিভাবে?


#১ আপনার রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট রাখুন-

সবসময় আপডেট রাউটার ব্যবহার করুন। অনেক সময় এমন হয়, আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার ইচ্ছা করে তাদের নিজস্ব রাউটার আপনাকে ধরিয়ে দিবে। যেটা পরে যেয়ে অনেক বিড়ম্বনার কারন হতে পারে। তাই রাউটার কিনবেন নিজের ইচ্ছা মতো দেখে শুনে।

#২ সুবিধা জনক যায়গাতে রাউটারটি স্থাপন করুন-

রাউটারটি স্থাপন করবেন এমন একটি স্থানে যেখান থেকে প্রায় সব ঘড়ে সমান ভাবে সিগন্যাল পৌছাতে পারে। এই আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে পড়তে পারেন-

#৩ শক্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা-

কথাটা কেমন শোনাচ্ছে না? হুম, পাসওয়ার্ড আবার কি মাইনে রাখে? রাখে, কারন আপনি যখন একটা শক্ত পক্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন তখন আর বাইরের কেউ আপনার নেট লাইন ব্যবহার করতে পারবে না। প্লাস পাবেন সিকিউর নেট সার্ভিস।

#৪ ওয়াইফাই চ্যানেল-

সবসময় সঠিক ওয়াইফাই চ্যানেল ব্যবহার করবেন। বেশিরভাগ সার্ভিস প্রভাইডার ২.৪ গিগাহার্জ ব্যবহার করে যেটা সবার জন্য পারফেক্ট নাও হতে পারে।

#৫ পুরনো ডিভাইস ডিসকানেক্ট করে রাখুন-

কথাটার মানে হল, যখন কোন ডিভাইস আর ব্যবহার করবেন না তখন সেটি ওয়াইফাই রাউটার থেকে ডিসকানেক্ট করে রাখুন।

#৬ পিং টেস্ট-

সময় সময় পিং টেস্টের মাধ্যমে আপনার নিয়মিত ইন্টারনেট গতি পরিক্ষা করতে পারেন, আর এ জন্য আপনাকে এই সাইটে যেতে হবে- http://www.pingtest.net/

#৭ রিস্টার্ট-

অনেক সময় এমন হয় দেখবেন আপনার রাউটার চলতে চলতে হ্যাং করে। আর হটাৎ করেই স্পীড গায়েব বা নেট লাইন ডিসকানেক্ট হয়ে যায়। এমতাবস্থায় কিচ্ছু করবেন না জাস্ট রাউটার টা একবার অফ করে অন করুন বা রিস্টার্ট দিন।

#৮ একাধিক রাউটারের ব্যবহার-

অনেক সময় এমন হয়, আপনার ফ্লোরের স্পেস অনেক বড় আর দুর্ভাগ্য বসতো আপনি যে রাউটারটি কিনেছেন সেটি সম্পূর্ণ ফ্লোর কভার করতে পারছে না যার ফলে আপনার নেট স্পীড অনেক কম আসছে। একটি কাজ করুন নতুন আরেকটি বড় দেখে রাউটার কিনুন বা ছোট আরেকটি রাউটার কিনে সেটি ঘড়ের আরেক কোনায় সেট করে নিন।

#৯ একই সিগন্যালের ডিভাইস থেকে দূরে রাখা-

মনে রাখবেন আপনার ঘড়ের কিছু কমন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস আছে জেগুলা ঠিক একই ২.৪ গিগাহার্জ ব্যবহার করে। যেমন, টিভি, কডলেস ফোন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইত্যাদি। আর আপনি যদি সেই একই ডিভাইসের পাসে রাউটার স্থাপন করেন তবে স্বাভাবিক ভাবেই রাউটার তার নিজস্ব সিগন্যাল দিতে বাধা গ্রস্ত হবে।

#১০ এন্টেনা-


প্রয়োজনের উপরে ভিত্তি করে চেষ্টা করুন এন্টেনা সহ রাউটার কিনতে। আর আপনি চাইলে পুরনো রাউটারের এন্টেনা পরিবর্তন করে নতুন বড় বা আরও উন্নত এন্টেনা লাগিয়ে নিতে পারবেন। এটা করার জন্য আপানাকে নিকটস্থ রাউটার সপ এ যেয়ে কথা বলতে হবে।

Thursday, June 4, 2015

BD phone operator information


Name: Grameen Phone

☞Balance Check : *566#
☞Show SIM Number : *2#
☞Package Check : *111*7*2#
☞Minute Check : *566*24# ,
*566*20#
☞SMS Check : *566*2#
☞MMS Check : *566*14#
☞Data (MB) Check : *566*10# ,
*567#
☞Call Me Back : *123*Number#
☞Net Setting Request :
*111*6*2#
☞Miss Call Alert (On) : type START
MCA
& Send to
6222
☞Miss Call Alert (Off) : Type STOP
MCA
& Send to
6222


Name : Banglalink
☞Balance Check : *124#
☞Show SIM Number : *511#
☞Package Check : *125#
☞Minute Check : *124*2#
☞SMS Check : *124*2#
☞MMS Check : *124*2#
☞Data (MB) Check : *124*5# ,
*222*3#
☞Call Me Back : *126*Number#
☞Net Setting Request : Type ALL
&
Sent to 3343
☞Miss Call Alert (On) : Type START
&
Send to 622
☞Miss Call Alert (Off) : Type STOP
&
Send to 622


Name : Robi


☞Balance Check : *222#
☞Show SIM Number :
*140*2*4#
☞Package Check : *140*14#
☞Minute Check : *222*3#
☞SMS Check : *222*11#
☞MMS Check : *222*13#
☞Data (MB) Check : *222*81# ,
8444*88#
☞Call Me Back : unknown
☞Net Setting Request : *140*7#
☞Miss Call Alert (On) : Type ON &
Send
to 8272
☞Miss Call Alert (Off) : Type OFF &
Send to 8272


Name : Airtel
☞Balance Check : *778#
☞Show SIM Number :
*121*6*3#
☞Package Check : *121*8#
☞Minute Check :
*778*5#or*778*8 #
☞SMS Check : *778*2#
☞MMS Check : *222*13#
☞Data (MB) Check :
*778*39#or*778*
4#
☞Call Me Back : *121*5#
☞Net Setting Request : *140*7#
☞ Miss Call Alert (On) :
*121*3*4#
☞ Miss Call Alert (Off) : unknown


Name : Teletalk
☞Balance Check : *152#
☞Show SIM Number : Type “Tar”
&
send to 222
☞Package Check : unknown
☞Minute Check : *152#
☞SMS Check : *152#
☞MMS Check : *152#
☞Data (MB) Check : *152#
☞Call Me Back : unknown
☞Net Setting Request : Type SET
&
Send to 738
☞Miss Call Alert (On) : Type REG &
Send to 2455
☞Miss Call Alert (Off) : Type CAN &
Send to 24

Thursday, May 14, 2015

স্মার্টফোনে স্মার্ট

এই সময়ের মোবাইল ফোনগুলো কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়। বরং বেশি রেজ্যুলেশনের ক্যামেরা, মিউজিক প্লেয়ার, ডিজিটাল ডায়েরি, রেডিওসহ অন্য আরও বহু যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে বিশেষ একটি স্মার্ট যন্ত্র হিসেবে একে নানা রকম কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে। ফোনগুলোতে আরও অনেক ধরনের সুবিধা থাকে, যেগুলো দৈনন্দিন কাজগুলো আরও সহজ করে দেয়। তবে স্মার্টফোনের সুবিধাগুলো কাজে লাগাতে চাই এর স্মার্ট ব্যবহার। কিছু কৌশল অবলম্বন করলে স্মার্টফোনের বিভিন্ন সুবিধা সহজেই নেওয়া যাবে।
ইন্টারনেটে তথ্য সমন্বয়
স্মার্টফোনে রাখা তথ্যগুলো নিয়মিত ইন্টারনেটের সঙ্গে সমন্বয় করা উচিত। অ্যান্ড্রয়েড, আইফোন এবং উইন্ডোজ ফোন থেকে গুগল, ড্রপবক্স, ওয়ানড্রাইভ, আইক্লাউডে তথ্য সমন্বয় করা যায়। ফাইল রাখার এই ক্লাউড সেবাগুলোতে বিনা মূল্যে ফোনে সংরক্ষিত ফোন নম্বর, ছবিসহ সবকিছু রাখা যায়। ফোন হারিয়ে গেলে বা নতুন ফোন ব্যবহার শুরু করলে তথ্যগুলো হারিয়ে যাবে না। অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্যগুলো নতুন ফোনে চলে আসবে।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফোন করাস্মার্টফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার এখন জনপ্রিয়। ইন্টারনেট সংযোগ সক্রিয় থাকলে শুধু একটি অ্যাপ নামিেয়ই অন্যকে ফোন করা যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলার জন্য ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, ট্যাঙ্গো, স্কাইপ, ওগোর মতো অ্যাপ রয়েছে। এগুলো বিনা মূল্যে নামিয়ে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে কথা বলা যায়। আর এর জন্য শুধু ইন্টারনেট প্যাকেজ থেকে ডেটা খরচটাই হয়ে থাকে।
জিপিএস এবং লোকেশন সার্ভিসস্মার্টফোনে জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম থাকে। নতুন কোনো জায়গা খুঁজে বের করতে বা পথ চিনে যাওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। গুগল ম্যাপ হলো জিপিএস বা লোকেশন সার্ভিসের জনপ্রিয় এবং কার্যকর অ্যাপ। পৃথিবীর প্রায় সব স্থানের মানচিত্র এবং কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবি থাকে এসব অ্যাপ।
অফিস স্যুট সফটওয়্যার
অফিসের কাজ করার জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, গুগল ডকের মতো সফটওয়্যার বেশ জনপ্রিয়। এই সফটওয়্যারগুলো বিনা মূল্যে স্মার্টফোনে ব্যবহার করা যায়। এই অ্যাপ দিয়ে তৈরি ফাইলগুলো অনলাইনে রাখাও যায়।
অ্যাপের নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ
স্মার্টফোনে বিভিন্ন কাজের অ্যাপ ব্যবহার করা হয়। ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন অ্যাপ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের বার্তা বা নোটিফিকেশন দেয়। কখন কোথায় আছেন, তার ওপর নির্ভর করে নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। জরুরি কোনো আলোচনার সময় কিছুক্ষণ পরপরই যদি নোটিফিকেশন আসতে থাকে, তবে সেটি অশোভন মনে হবে। এ সমস্যা সমাধানের জন্যও রয়েছে কিছু অ্যাপ। যেগুলো ক্যালেন্ডারের অ্যাপয়েন্টমেন্টের তালিকা এবং প্রয়োজনে জিপিএস লোকেশন ব্যবহার করে ফোনের নোটিফিকেশন, রিংটোন পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেয়।
বিজনেস কার্ড সংরক্ষণ
বিজনেস বা ভিজিটিং কার্ড সংরক্ষণ করার জন্য আলাদা করে এখন আর কার্ড হোল্ডারের প্রয়োজন নেই। স্মার্টফোনেই ভিজিটিং কার্ড সংরক্ষণ করা যায়। ফোনের ক্যামেরা দিয়ে কার্ডটি স্ক্যান করে সংরক্ষণ করা যায়। কার্ডের তথ্য ফোনের কন্টাক্টের সঙ্গেও যুক্ত করা যায়।
ই-মেইল এবং টেক্সট অটো/কুইক রেসপন্স
দরকারি কাজের সময় কারও ফোন কল এলে মাঝে মাঝে সেটি ধরা সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে স্মার্টফোনের অটো রেসপন্স বা কুইক রেসপন্ড সুবিধাটি ব্যবহার করা যেতে পারে। এখানে আগে থাকেই সংক্ষিপ্ত বার্তা সংরক্ষণ করে রাখা যাবে এবং নির্দিষ্ট সময় এ বার্তাগুলো পাঠানো যেতে পারে।
অনুবাদের অ্যাপ
বিদেশ ভ্রমণের সময় যদি ওই দেশের ভাষায় কথা বলতে বা লিখতে অভ্যস্ত না হয়ে থাকেন, তবে স্মার্টফোনে আগে থেকেই গুগল ট্রান্সলেটর বা অন্যান্য ট্রান্সলেশন অ্যাপ ব্যবহার করা উচিত। সাধারণত গুগল ট্রান্সলেটর অ্যাপে কিছু লেখা হলে সেটি অনুবাদ করতে ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হয়। তবে প্রয়োজনের সময় ইন্টারনেটের জন্য অপেক্ষা না করে আগে থেকেই নির্দিষ্ট ভাষার ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাক ইনস্টল করে রাখা যেতে পারে।
ভ্রমণের সহযোগী
নতুন কোথাও বেড়াতে গেলে আশপাশের দর্শনীয় স্থান, থাকার হোটেল বা ভালো খাবারের রেস্তরাঁ খোঁজার জন্য রয়েছে বিশেষ বিশেষ অ্যাপ। এর মেধ্য অন্যমত হলো গুগল ম্যাপ, ফোরস্কোয়ার, ইয়েল্প। আবার ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় ব্যবহার করতে পারেন ট্রিপ অ্যাডভাইজর অ্যাপ। এসব অ্যাপে ব্যবহারকারীর অবস্থানের ওপর নির্ভর করে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের তালিকা পাওয়া যাবে।
এক চার্জেই অনেক ক্ষণ
স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রায় সবার অভিযোগ যে ফোনে বেশি সময় চার্জ থাকে না। স্মার্টফোনে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ এবং সার্ভিস ব্যবহার করা হয়, আর বেশি সার্ভিস ব্যবহার করা হলে দ্রুত চার্জ কমতে থাকে। এ কারণে প্রয়োজনের সময় ছাড়া কিছু সার্ভিস বন্ধ করে রাখা যেতে পারে। যেমন ব্লুটুথ সক্রিয় থাকলে সেটি কিছুক্ষণ পরপরই ফোনের নিকটবর্তী অন্যান্য ব্লুটুথ যন্ত্র খোঁজে এবং সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করে, ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে মোবাইল ডেটা ওয়াই–ফাইয়ের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ব্যাটারি ব্যবহার করে। এ কারণে দ্রুত চার্জ ফুরিয়ে যায়। তারহীন সংযোগগুলোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি চার্জ কমিয়ে দেয় জিপিএস। তাই সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্লুটুথ, ওয়াই–ফাই, জিপিএস এবং মোবাইল ডেটা সার্ভিস বন্ধ রাখা উচিত।
ডটকম প্রতিবেদক। 


স্যামসাং আনল গ্যালাক্সি ট্যাব ৩ ভি

স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব ৩ ভি                                                                                         স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ বাজারে এনেছে গ্যালাক্সি ট্যাব ৩ ভি। এই ট্যাবের সঙ্গে গ্রামীণফোন থ্রিজি ইন্টারনেট প্যাকেজ সুবিধা দিচ্ছে। গ্যালাক্সি ট্যাব ৩ভি এর দাম ১৪ হাজার ৯০০ টাকা। এর সঙ্গে ক্রেতারা গ্রামীণফোনের তিন মাস মেয়াদি ২৪ গিগাবাইট থ্রিজি ইন্টারনেট পাবেন।
স্যামসাং বাংলাদেশের মোবাইল বিভাগের প্রধান হাসান মেহেদি বলেন, ‘তরুণ পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের ব্যবসা ও শিক্ষামূলক কাজের জন্য ট্যাব প্রয়োজন। সবার প্রয়োজন মেটাতেই আমরা গ্যালাক্সি ট্যাব ৩ভি নিয়ে এসেছি যা সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যবহারের অসাধারণ অভিজ্ঞতা দেবে।’
স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব ৩ ভি-তে রয়েছে ৭ ইঞ্চি ডিসপ্লে, কোয়াড কোর প্রসেসর এবং এক গিগাবাইট র‍্যাম। অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট (৪.৪) অপারেটিং সিস্টেমের ট্যাবটির সামনে ও পেছনে ক্যামেরা রয়েছে। ডিভাইসটির বিল্ট ইন মেমোরি ৮ গিগাবাইট। স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব ৩ ভি-তে রয়েছে ওটিজি সুবিধা যার মাধ্যমে আলাদা ব্যবহারযোগ্য ইউএসবি ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে।

Monday, May 11, 2015

og0: A new Bangladeshi messenger in town

og0, which was launched last month, is a local platform designed to cater the youth's of Bangladesh.  As the first local social app based platform that is designed and operated completely by home grown Bangladeshi engineers it includes special features that allows users to make calls even in low signals, even where 3G is not available.


fm :T.D.T